যোগাযোগ করার পদ্ধতিকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়? উদাহরণসহ বর্ণনা দাও।

যোগাযোগ করার পদ্ধতিকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়? উদাহরণসহ বর্ণনা দাও।

উত্তর: যোগাযোগ করার পদ্ধতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:

১. একমুখী পদ্ধতি,

২. দ্বিমুখী যোগাযোগ পদ্ধতি

নিচে এ পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:

১. একমুখী পদ্ধতি: এ পদ্ধতিতে যোগাযোগ হয় এক পক্ষ থেকে। যখন একজন বা একটি প্রতিষ্ঠান ‘একমুখী’ পদ্ধতিতে অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করে, সেটিকে একমুখী পদ্ধতি বা ইংরেজিতে ব্রডকাস্ট বলে।

উদাহরণ: রেডিও বা টেলিভিশন হলো একমুখী পদ্ধতির সবচেয়ে বড় উদাহরণ। এ প্রক্রিয়ায় যখন কোনো অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়, তখন তা সবার জন্য প্রচার করা হয় এটি ব্রডকাস্ট পদ্ধতি। এ ক্ষেত্রে যাদের জন্য অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়, তারা পাল্টা যোগাযোগ করতে পারে না বলে এটি একমুখী পদ্ধতি।

২. দ্বিমুখী যোগাযোগ পদ্ধতি: দ্বিমুখী পদ্ধতিতে যোগাযোগ হয় দুই পক্ষ থেকে। এ ক্ষেত্রে দুই পক্ষেরই যোগাযোগ করার সুযোগ তৈরি হয়। উদাহরণ: এ প্রক্রিয়ার সবচেয়ে ভালো উদাহরণ হলো টেলিফোন, মোবাইল। কেননা এগুলোর মাধ্যমে দুজন একই সঙ্গে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। এটি সম্ভব হয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অভূতপূর্ব উন্নয়নের জন্য।

Comments ( 2 )

Post a Reply