Blog

বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত (সৃজনশীল প্রশ্ন ও সমাধান) : পাঠ – ০২

e-commerce-catalog_51728
এইচ.এস.সি.

বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত (সৃজনশীল প্রশ্ন ও সমাধান) : পাঠ – ০২

০২। নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

অ্যাথিনা নামক একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর তাদের সকল শাখার কম্পিউারগুলোকে নেটওয়াকের আওতায় এনে ক্রেতাগনকে প্রচালিত পদ্ধতির পাশাপাশি ই-কমার্স সুবিধা প্রদান করেছেন । ফলে ক্রেতাগন ঘরে বসেই যাতায়াত খরচ কমিয়ে, অনলাইনে যাচায় বাচাই করে অর্ডার দিতে পারছে এবং ক্রেডিট কাটের মাধ্যমেও মূল্য পরিশোধ করতে পারছেন। এই পদ্ধতি বাস্তবায়নের পর উক্ত প্রতিষ্ঠানটি অল্প সময়ের মধ্যে কম সংখ্যা জনবল ব্যবহার করে অধিক সংখ্যক ক্রেতাদের সেবা দিতে পারছে। তাই ই-কমার্স ব্যবহারের ফলে উক্ত প্রতিষ্ঠানের লাভজনক অবস্থা দেখে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহ এতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

ক. ই-কমার্স কী?

খ. ই-কমার্স বিক্রেতাগন পন্যের দাম কম রাখতে পারার কারণ কী?

গ. অ্যাথিনা নামক প্রতিষ্ঠানের ক্রেতাগন ই-কমার্স ব্যবহারে ফলে কী ধরনের সুবিধা পাচ্ছেন।

ঘ. উদ্দীপকের ব্যবহৃত প্রতিষ্ঠানটি ই-কমার্স ফলে ই-কমার্সের ফলে কী ধরনের ব্যবসায়িক সুবিধা পাচ্ছে, ব্যাখ্যা করো।

 উত্তরঃ

ক) আধুনিক ডেটা প্রসেসিং সহ এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বিশেষত ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পণ্য বা সেবা ম্যার্কিটিং, বিক্রয়, ডেলিভারি, ব্যবসা সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি করাই হচ্ছে ই-কমার্স।

খ) ই-কমার্স বিক্রেতাগন পন্যের দাম কম রাখতে পারার কারণ নিম্নরূপ:

  • আর্থিক লেনদেন খরচ কমানো
  • ব্যবসায় পরিচালনায় খরচ কমনো
  • কেনাকাটার খরচ কমানো এবং গতি সঞ্চার করা।

গ) অ্যাথিক নামক প্রতিষ্ঠানের ক্রেতাগন ই-কমার্স ব্যবহারের ফলে সে ধরনের সুবিধা তা হলো-

  • কেনা কাটায় খরচ কমনো এবং কাজের গতি সঞ্চার করা হচ্ছে।
  • কাজের সময়ে সর্বোচ্চ ব্যবহারে নিশ্চিত করতে পরেছে।
  • দূরত্ব ব্যবধান কমানো এবং ব্যবসায়িক বন্ধন সৃষ্টি করতে পারছে।
  • উন্নতমানের কাস্টমার সার্ভিসের সুবিধা পায়ছে।
  • বাজার যাচাই ও তাৎক্ষণিক অর্ডার প্রদান সুবিধা পাচ্ছে।

ঘ) বিগত দশক ধরে বিশ্ব বাণিজ্যে প্রচলিত পদ্ধতির আর্কষনীয় পরিবর্তন নিয়ে এসেছে ই-কমার্স । শত শত বছর ধরে চলে আসা প্রচলিত ব্যবসা পদ্ধতি ই-কমার্সের সাথে প্রতিযোগিতা পিছিয়ে যাচ্ছে। এর মূলে রয়েছে ই-কমার্সের অচিন্তনীয় সুবিধাদি। এসব সুবিধাসমূহ নিচে উদাহরনসহ বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

  • আর্থিক লেনদেনের গতিশীলতা বাড়ানো
  • আর্থিক লেনদেনের খরচ কমানো
  • ব্যবসা পরিচালনায় খরচ কমানো
  • কেনাকাটায় খরচ কমানো এবং গতির সঞ্চার করা
  • কাজের সময়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা
  • দূরত্ব ব্যবধান কমানো এবং ব্যবসায়িক বন্ধন সৃষ্টি করা
  • সুস্পষ্টভাবে ব্যবসা পরিচালনার সুবিধা দেয়া
  • উন্নতমানের কাস্টমার সার্ভিসের সুবিধা দেয়া
  • ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করা
  • নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা
  • বিজ্ঞাপন ও নতুন বিপণন সবিধা
  • বাজার যাচাই ও তাৎক্ষণিক অর্ডার প্রদানে সুবিধা।

Leave your thought here