Blog

কমিউনিকেশন সিস্টেমস ও নেটওয়ার্কিং (সৃজনশীল প্রশ্ন ও সমাধান) : পাঠ – ০২

wimax-1-638
এইচ.এস.সি.

কমিউনিকেশন সিস্টেমস ও নেটওয়ার্কিং (সৃজনশীল প্রশ্ন ও সমাধান) : পাঠ – ০২

নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাওঃ-

জুয়েল গ্রামের বাড়ি থেকে ঢাকায় আসে। সে এখন তার খালার বাসায় অবস্থান করেছে। রাতে তার খালাতো ভাইয়ের রুমে গিয়ে দেখল যে তার খালাতো ভাই ইন্টারনেট ব্যবহার করছে এবং মডেম হিসেবে Banglalion Wi-mix ব্যবহার করছে। তখন সে জিজ্ঞাসা করল কেন তুমি এতো মডেম থাকতে এই মডেম ব্যবহার কর। তার খালাতো ভাই বললো এটি উচ্চগতির ইন্টারনেট প্রদান করে।

ক.  Wi-max এর পূর্ণরূপ কী?

খ. বিভিন্ন প্রকার ওয়্যারলেস প্রযুক্তি নাম লেখ।

গ. Wi-max কী কী ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়?

ঘ. জুয়েলের খালাতো ভাইয়ের আলোকে Wi-max এর সুবিধাগুলো আলোচনা কর।

উত্তরঃ
ক) Wi-max- এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.

খ) বিভিন্ন প্রকার ওয়্যারলেস প্রযুক্তির নাম হলো-

  1. মোবাইল ফোন (Mobile Phone)
  2. ওয়্যারলেস ডেটা যোগাযোগ (Wireless Data Communication)
  3. ওয়্যারলেস শক্তি প্রেরণ (Wireless energy transfer)
  4. কম্পিউটার ইন্টারফেস ও ডিভাইস (Computer Interface & Devices)

গ) ওয়াইম্যাক্স এর ব্যবহার (Uses of Wi-max):

    1. ইন্টারনেট এক্সেস (Internet Access): ওয়াইম্যাক্স বাড়িতে বা মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে থাকে।
    2. ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন (Wireless Communication): ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে আমরা Wimax ওয়াইম্যাক্স ব্যবহার করতে পারি।
    3. দুরবর্তী সংযোগ (Connectivity of Remote Area): দূরবর্তী স্থানে সংযোগর ক্ষেত্রে আমরা Wimax ব্যবহার করতে পারি।
    4. প্রচুর তথ্য প্ররণ (Transfer of Information): যেখানে প্রচুর পরিমাণ তথ্য প্রেরণ করা প্রয়োজন সেক্ষেত্রে আমরা wimax ব্যবহার করতে পারি।
    5. সহজে যোগাযোগ (Easy Communication): সহজ যোগাযোগের ক্ষেত্রে আমরা Wimax ব্যবহার করতে পারি।

ঘ) Wi-max হলো ওয়্যারলেস কমিউনিশন । সট্যান্ডার্ড যা ৩০ থেকে ৪০মেগাবাইট তথ্য প্রতি সেকেন্ড প্ররণ করতে পারে। Wi-max নামটি দিয়েছে Wimax forum যা ২০০১ সালের জুন গঠিত হয়েছিল। Wimax এমন এক স্ট্যান্ডার্ড যা তার ছাড়া ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে থাকে। জুয়েলের খালাতো ভাইয়ের আলোকে Wi-max-এর সুবিধাগুলো হলো-

  1. অধিক নিরাপদ ও দ্রুতগতি ইন্টারনেট সেবা।
  2. তুলনামূলক স্থাপন খরচ কম ও ইন্টারনেট সেবার মূল্য দামে সস্তা।
  3. মোবাইলের মাধ্যমে ব্যবহারযোগ্য ও দূরবর্তী এলাকায় সংযোগ স্থাপন।
  4. অধিক পরিমাণ তথ্যের আদান-প্রদান।

Leave your thought here